মঙ্গলবার ১৭ অক্টোবর ২০১৭

প্রিয় বুয়া, এই চিঠি আপনাকে লিখছি!


July 30 2017 | 40


 

প্রিয় বুয়া, আপনার সঙ্গে আমার ১৩ বছরের গভীর সম্পর্ক।

আপনাকে লিখছি কেন জানি না। আপনি তো পড়তে জানেন না! তবে জানি, আমাদের ঘরের কথা, ক্রাইসিস, আনন্দ, বেদনার আঁচে আপনিও ছিলেন। এই ১৩ বছরে আমি কিশোরী থেকে পূর্ণ যুবতী হয়ে গেলাম। মধ্যের সময়গুলোতে আপনি আমাদের ঘরেই ছিলেন তবু ঘরের সদস্যসংখ্যা গণনাতে অন্তর্ভুক্ত হলেন না।
আপনি আমাদের বুয়া।
আপনি বিয়ে করবেন না। সাহেবি ভাষায় যাকে বলে ডিটারমাইন্ড।
পুরুষ মানুষ নেমকহারাম। বিয়েশাদি জীবনে একবার। সমাজ নামের চুলার আগুনে চা উতরানোর মতোই আপনার মনের আগুন জ্বলে ওঠে এসব কথা। ছ্যাঁৎ! এসব জ্বলনের সঙ্গে জড়িত আপনার শাশুড়িও। এক রাতে খিদেয় কাতর আপনাকে চুরি করে দুটো ভাত খেতে দেখে ওই মহিলা আপনার হাত ভেঙে দিয়েছিল। অবশ্য আপনার সেই স্বামীর মারধরের কথা, শাশুড়ির নির্যাতনের কথা কখনোই আপনি আমাদের বলেননি। জ্ঞানের মধ্যে শুধু সেই জ্ঞানটুকুই আপনার মধ্যে বিশেষভাবে লক্ষণীয় ছিল। আপনি আমাদের ঘরের আসবাব কারও দ্বারা নষ্ট হলে তার বারোটা বাজাতেন বলে গ্রামের মানুষের ধারণা, আপনার মাথায় সমস্যা আছে। জ্ঞান নেই। নয়তো পরের জন্য কেউ অমন করে!
এভাবেই প্রথম নয় বছর।
একদিন মধ্য দুপুরে আপনি উন্মাদের মতো আচরণ শুরু করলেন। এমনটা যে আপনি একদমই করতেন না তা নয়। আপনার কিছু সমস্যা ছিল। মেডিকেলের এই টার্মটা আমরা জানতাম বলে যখন আপনার বকাঝকা উঠত, আমরা চুপ হয়ে থাকতে চেষ্টা করতাম। জানতাম একটু পরেই ঠিক হয়ে যাবেন। এটা এত তুমুল ছিল যে, সব সময় চুপ করে থাকতে পারতাম তা নয়। সেই সময়টার জন্য আম্মুর পরামর্শ ছিল—মাহফুজার এই সমস্যাটি আছে বলেই সে আজ আমাদের ঘরে। নয়তো তাকে তো পেতাম না। ওর ভাইবোন কেউ ওর বিষয়টা মেনে নিতে পারেনি বলেই ওর অবস্থান আজ এখানে। ও হ্যাঁ, আপনার নাম মাহফুজা।
তো এভাবেই সেদিন আপনি তুমুল বকাঝকা করতে লাগলেন। পাড়াপড়শিরা ভাবল বোধ হয় এইবার বিদায়ের ঘণ্টা বাজল। ব্যাপারটা আসলে অন্য। আপনি আমার আম্মুর পা টেনে ধরে রাখলেন। পাগলের মতো চিৎকার করে নাকের সর্দি আর চোখের পানি এক করে বলতে লাগলেন, ‘খালাম্মা এই মহিলার সঙ্গে আপনি কথা কইতে হাইরতেন ন। আপনি অফিসে যাইতে হাইরতেন ন।’ আপনার খালাম্মা পেশাগত দায়বদ্ধতায় আপনার আবেদন আমাদের বোনদের মীমাংসা করতে দিয়ে ত্বরিত গতিতে মহিলা এবং তার মেয়েকে নিয়ে অফিসে চলে গেলেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা যেহেতু তিনি।
তারপর আপনি নয় বছরে আমাদের ঘরে তিন বেলা ভাত রান্নার কিরা দিয়ে বিলাপ করে করে বলতে লাগলেন, ‘আই মাফ কইরতাম ন। আই তোরে মাফ কইরতাম ন, এই নাগিনি আমার শাশুড়ি। আর পেটের মাইয়া মারছে। আরে তখন হাসপাতাল–টাশপাতাল চোখে দেখা ন। এখন নিজের মাইয়া আনছে। ও রে, হেতিরে ক আমার বাইচ্চা মাইয়া হইলেও তো সন্তান আছিল। এখন নিজের মাইয়া কিললাই আইনছে আর খালাম্মার গো হসপিটালে।’
অবাক আমরা। এত বছর পরে আমরা শুনলাম কোনো একসময় একটা মৃত কন্যাসন্তান আপনার কোলে এসেছিল। জন্মের আগেই মেয়েটার জন্য কবর খুঁড়েছিল এরাই! সেদিন দুচোখ ভরে আমাদের নিজেদের প্রতি ঘৃণার কান্না এল। একটা মানুষ আমাদের ঘরের মানুষ। আমাদের ঘরে আছে এত বছর ধরে অথচ তার সম্পর্কে কত কম জানি আমরা। সেদিন আমাদের চালাকি সান্ত্বনা শ্মশানেই মরল। কোনো ভাষা খুঁজে পাইনি আপনাকে শান্ত করার। সান্ত্বনা দেওয়ার।
তার দুই দিন পর নতুন করে জাগা কঠিন কষ্টটা আপনার সরল মন সহজেই ভুলে গেল। অতঃপর দিন গড়ায়। আপনি আবারও ধুতে লাগলেন আমাদের ঘরের পাতিলের তলা। কাকভোরে বেলতে লাগলেন রুটি। ভাগ-বণ্টন করে রাখতে লাগলেন মাছ-মাংসের খণ্ড, যার যেটা পছন্দ। পরে আরেকটা জিনিস যোগ হলো। নিয়ম করে এক বেলা কাঁদতে বসতেন। মৃত সন্তান কিংবা নেমকহারাম স্বামীর জন্য না। আমাদের জন্য! আমরা ভাইবোন সবাই পড়ালেখার জন্য একে একে শহরে চলে গেছি। ঘরটা এত ফাঁকা। একা ঘরে আপনার খারাপ লাগে এই জন্য! আমাদের আম্মু-আব্বু সন্তানদের ছাড়া খুব একা এই জন্য। রাতেরবেলা গাছের ডাব সব চোরের পেটে যায় এই জন্য! চোরও এমন—আপনাকে চিনত। পাড়ার পরিচিত বখাটে ছেলেপেলে তো।
গভীর রাতে ডাব খাওয়া শেষে ইচ্ছে করে একটা ডাব মারত টিনের চালে। এরপর শুরু হতো আপনার চিল্লানি। ‘চোরের গুষ্টি চোর। ডাব জীবনে দেখস ন! পাড়াতে এত গাছ থাইকতে আঙ্গ গাছের দিকে কিললাই তোরগো নজর।’ এই বলে রাতের অন্ধকারে ভয়ের পরোয়া না করে কলাপসিবল গেটের দরজা খুলতে যেতেন। সঙ্গে সঙ্গে আম্মুর ঘুম ভেঙে যেত। ‘খবরদার মাহফুজা দরজা খুলিস না। তুই চোর ধরতে বাইরে যাইস না। এগুনের ডাব হরানে খুইজ্যে চুরি করছে। খাই ধুর অই যাক! তোর জানের ডর নাই? তোরে ডাব একটার জন্য ছুরি মারি দিলে বাইছবি?’ অতঃপর আপনি চোর শায়েস্তা করতে না পারার দুঃখ নিয়ে নিজের ঘরে ফিরে আসেন। মুখে বুলি ধরেন, ‘ধুরো খালাম্মা, আন্নের এক্কানা হায়া মায়া দরদও নাই। মণি আপুরা বেড়াইতে আইলে কী খাইব!’ ও হ্যাঁ, আপনি আমাদের মণি আপু ডাকতেন।
এবার আবার একপশলা কান্না। আপনি তো এমনই। পাড়াপড়শিরা প্রথম কয়দিন উঁকি দিত আমাদের ঘরে মেয়ে নির্যাতন চলছে কি না এই আশঙ্কায়! কেননা সে এলাকায় আমরা আপনিসহ মুভ হয়ে নতুন এসেছিলাম। তারা তখন আমাদের সম্পর্কে খুব একটা জানত না। আসলে নির্যাতন নয়, ঘরে সন্তান কিংবা বোনের অপূর্ণতায় কাঁদছেন আপনি। কান্না ধারাবাহিক রূপ নেয়। একবার শুরু হলে ঘণ্টাব্যাপী। এই কান্না পরে কিছু মানুষ বিনোদন হিসেবে নেয়। এতে তাদের একটু হিংসাও ছিল। কারও ঘরে মানুষ দেখি রাখাই যায় না। আর আমাদের ঘরে বছরের পর বছর একই মানুষ চললা (কু পরামর্শ) দিলেও দেখি যায় না! মাঝেমধ্যে দু-একটা মন্দ কথাও দূর–দূরান্ত থেকে আসা কেউ কেউ আপনার কানে দিত। তারই জের ধরে একদিন আপনার চিল্লাচিল্লি উঠল। তুমুল।
খালাম্মা, আপনি মিথ্যা কথা বলেন। আমি আপনার মেয়ের মতো না। তাইলে ঘরের দেয়ালে সবার ছবি আছে। আমার ছবি কই? আপনার খালাম্মা অবাক হয়ে গেল। এত বুদ্ধি আপনার কী করে হলো? খুশিও হলো। ওখানেই যে আপনার ঘাটতি ছিল। তারপর আপনার খালাম্মা রাগী স্বরে বলল, ‘এই মাফুজা, এখনই বাহির হ। রেডি হ! কানে ঝুমকা দে। একটু লিপিস্টিকও দে।’ তার এক সপ্তাহ পরে ঘরের দেয়ালে আমাদের ছবির সঙ্গে আপনার ছবিও যুক্ত হলো। কী যে খুশি হলেন আপনি! আশপাশের এমন কোনো মানুষ নাই তাদের ধরে এনে দেখান নাই। এর ইতিহাস বলেন নাই! আপনার সেই খুশি দেখে আমাদের খুশিতে বুক ভরে গেল। এত সুন্দর লাগছিল সে ছবিতে আপনাকে। আব্বু দুষ্টুমি করে বলল, ‘এর কেরে ইয়া! কোন সিনেমার নায়িকা রে!’ আমরা হেসেই লুটোপুটি। আপনি আমাদের আনন্দেরও উৎস ছিলেন। মাঝেমধ্যে এমন উল্টোপাল্টা কাজ করতেন। পুকুরঘাটে আপনার পাশে সাপ এলে বলতেন, ‘এই সাপ যাহ। যাইলি?’ যেন সে কথা শোনে!
এভাবে ১৩ বছর।
তবু আপনি আমাদের বুয়া বুয়াই রয়ে গেলেন। আপনি যথেষ্ট সুন্দর রয়ে গেলেন। অবশ্য আপনি যে সুন্দর এটা সেদিন বুঝলাম। যেদিন এলাকার দুশ্চরিত্র এক লোক আপনার হাত ধরার চেষ্টা করেছিল। আর তার জন্য আপনি চিল্লাপাল্লা করে পাড়ায় আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন। এমন করেই দিন যায়। বছর যায়। এই সব বছরের প্রতিটা দিন আমাদের সংসার সামলে আপনি আপনার দ্বিতীয় বিয়ের চিন্তা বেমালুম ভুলে থাকলেন। আমাদেরই বা দোষ (!) কী। স্বামী–সংসার নিয়ে আমরা এত ব্যস্ত আপনাকে নিয়ে ভাবার সুযোগ কই!
প্রিয় বুয়া, এত দিনের এতগুলো সময় আপনি কাটিয়ে দিলেন আমাদের ঘরে। এই দীর্ঘ সময়ে আপনার কাছে আমাদের কাজের এক লাখ ফরমাশ আর আবদার থাকলেও আপনার শুধু একটা আবদার ছিল, আপনাকে যাতে বুয়া না ডাকি। আমরা এতই হীন আর স্বার্থপর যে আপনার এতগুলো দিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়েও আপনাকে আপা ডাকতে পারিনি। বরং উল্টো বুঝিয়েছি। বোঝেন না কেন বুয়া? বুয়া অর্থ বোন। আপনি নিজেও তো আপনার বড় বোনকে বুয়া ডাকেন। আরেকটু সম্প্রসারিত করে বলি, আমার দাদুর ভাইও আমার দাদুকে বুয়া ডাকত। আগের দিনে মানুষ বোনকে বুয়া ডাকত। আর অভ্যস্ত হয়ে পড়া কোনো ডাক সহজে বদলে ফেলাও যে যায় না।
আপনি তারপর আর কিচ্ছু বলেন না। আপনি আমাদের অনেক ভালোবাসেন। আপনার মৃত কন্যাসন্তান, অত্যাচারী স্বামী, পুরোনো সংসার কিংবা দ্বিতীয় সংসার গড়ার সব যত্ন আর ভালোবাসা ঢেলে ভালোবাসেন। আর আমরা সে সুযোগ লুফে নিয়ে দিনকে দিন বড় হয়ে নিজের সংসারে বিভোর হয়ে পড়ি দেশ থেকে দেশান্তর।
প্রিয় বুয়া, আজ ভোরে ঘুম ভাঙল একটা কথা মনে করে।

লেখিকা
আপনাকে আমি অনেক মনে করি। আপনি এমন একজন যার কথা মৃত্যু মুখে হয়তো অজান্তেই বেরোবে। বুয়া পানি দেন! আপনি তো সেই একজন যিনি রাত তিনটায় ঘুম ভুলে বসে থাকতেন গ্রামের বাথরুমের দরজায়। আপনি আমাদের ভালোবাসতেন বোনের মতো। কখনো কখনো আমাদের সঙ্গে থাকতেন। গ্রামের বাড়িতে ঝিঁঝি পোকার ডাকে আমি ভয় পাই আপনি তা জানতেন। আমি ঘুম থেকে উঠলেই আপনি টের পেতেন। ‘মণি আপু, ডরাইয়েন না। আই আছি’ বলে সাড়া দিতেন। আপনি যে এমনই।
আপনি এমন একজন মানুষ, যাঁর মন স্বচ্ছ পুকুর। এত বিশ্বাসী আপনি ঘরের সব অলংকার ব্যাংকের লকারে না রেখে আপনাকে রাখতে দিয়ে গেলেও আমাদের চলত।
প্রিয় বুয়া, এই চিঠি আপনাকে লিখছি। আপনাকে আমি আমার রাত দেড়টায় তটস্থ হয়ে শেখা, ঠোঁটস্থ, মুখস্থ পড়ার মতোই ভালোবাসি। আপনি আমাদের রাত জেগে পড়ার সেই সময়টা কোনো এক অজানা কারণে উপভোগ করতেন। রাত নামলেই বলতেন, ‘মণি আপু, আন্নের গো তো রাগ জাগি পড়বার কুঅভ্যাস! চা করি?’ এই চা করবার সময়ে আপনার কত আনন্দ। হইচই। যেন বিয়েবাড়ি!
প্রিয় বুয়া, আপনাকে আমি মিস করি অপর প্রান্তের ফোনের আলাপে। যখন জিজ্ঞেস করেন, ‘মণি আপু, কলেজ থেকে এসে রান্না করতে আপনার কষ্ট হয়? ভোরে চা বানায় কে?’ যখন বলেন, ‘মণি আপু, বিদেশে বুয়া নাই?’ তখন! আপনি সত্যিই আমাদের আপন। কী রাঁধি, কী করি, কী খাই—এসব সব সময় আপনাকে ফোনে বলি। মনে পড়ে আপনার কথা তা–ও বলি। শুধু বলি না, ভালোও বাসি। প্রিয় বুয়া, আজ এখনই কথা দিলাম। আমি যা পারিনি, ভবিষ্যতে আমার সন্তানকে শেখাব তা। ওরা আপনাকে খালামণি ডাকবে!
প্রিয় বুয়া, ১৩ শেষ হয়ে ১৪ বছর বাজছে সময়ের ঘড়িতে। এই তো সেদিন আমি আপনাকে ফোনে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনার কী লাগবে? কী পছন্দ? আপনি ধুম করে বলে বসলেন, ‘এক্কান পাথরওলা গলার হার…না না মণি আপু আর সব আছে শুধু আন্নে আইয়েন! আন্নের হাতের চাশনি খাই না বহুত দিন। আর সব আছে। আন্নে তো নাই দেশে। আন্নে আইয়েন।’
বুয়া, আপনি কি জানেন আপনি এই পৃথিবীর কত দামি একটা কথা বলে ফেলেছেন? আপনি কি জানেন, এই কথা শোনার পরে আমার গায়ের পশম কাঁটা দিয়ে কান্না এসেছে?
প্রিয় বুয়া, আমি বাংলাদেশে যাব হয়তো বছর শেষেই, অথচ আনুষ্ঠানিকভাবে আপনি আমাদের ঘর থেকে বিদায় হয়েছেন গত মাসেই। আপনাকে বিদায় দিতে আমাদের সবার কষ্ট হচ্ছিল। তবু সান্ত্বনা হলো এই, আপনার এই যাওয়া নিজের একটা সংসারের জন্য। তবে আমাদের ১৪ বছরের মায়ার দিব্যি আপনার বর্তমান অভিভাবকের কাছে—আমাদের পারিবারিক সব অনুষ্ঠান, আনন্দ–বেদনার আয়োজন, বছর শেষে স্কুলের ছুটিতে আমরা সব ভাইবোন একত্র হলে আপনাকে যেন তখন নাইওর দেওয়া হয় আমাদের ঘরে। নাইলে কেমনে হবে?
আমাদের সবার ছবির সঙ্গে আপনার একটা ছবিও যে ঘরের দেয়ালে বাঁধানো আছে! প্রিয় বুয়া, ১৪ বছর আগের সেই ছোট্ট আমাদের ঘরটা আমরা কল্পনা করতে পারি না আপনি ছাড়া। আপনার এক কাপ চা করতে গিয়েই বিয়ে বাড়ির হইচই। সাপের সঙ্গে কথা। তুমুল চিল্লানি। আমাদের মাথা নষ্ট, এসব না থাকলে যে আমাদের ঘরকে আমাদের ঘর মনে হয় না।

*জাহান রিমা : ভ্যালেন্সিয়া কলেজ, ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র।

Facebook Comments