সোমবার   ১৮ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৪ ১৪২৬   ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

amar24.com|আমার২৪
সর্বশেষ:
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ’ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ‘এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে’ ওয়ান ইলেভেনে আশরাফের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল : প্রধানমন্ত্রী
৬৭৪

রাজধানীর শব্দ দূষণের অন্যতম কারণ অকারণে হর্ন বাজানো

প্রকাশিত: ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

অকারণে গাড়ির হর্ন বাজানো রাজধানীর শব্দ দূষণের অন্যতম কারণ। চালকরাও স্বীকার করেছেন মাঝেমধ্যে কারণ ছাড়াই হর্ন বাজান তারা। অথচ শব্দদূষণ মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর সে সম্পর্কে একটুও ধারণা নেই তাদের। সূত্র: ডিবিসি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হাসপাতাল, আবাসিক এলাকা আর শিল্পাঞ্চলে শব্দের মাত্রা নির্ধারণ করে দিলেও রাজধানী ঢাকায় তা মানছে না কেউ। আবাসিক এলাকায় শব্দের মাত্রা দিনের বেলা ৫৫ এবং রাতে ৪৫ ডেসিবেল হওয়া উচিত। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৬৫ রাতে ৫৫ ডেসিবেল এবং শিল্পাঞ্চলে দিনে ৭৫ রাতে ৬৫ ডেসিবেলের মধ্যে শব্দ মাত্রা থাকা উচিত৷ আর হাসপাতাল বা নীরব এলাকায় এ মাত্রা দিনে ৫০, রাতে ৪০ ডেসিবেল। কিন্তু সবসময়ই এই মাত্রার উপরে থাকছে ঢাকার শব্দ মাত্রা।


 
শাহবাগ মোড়ে দুটি বড় হাসপাতাল রয়েছে। এখানকার শব্দমাত্রা সবসময়ই ৭০ ডেসিবেলেরও অনেক বেশি। রাজধানী জুড়েই নির্ধারিত মানদণ্ডের চেয়ে গড়ে প্রায় দেড় গুণ বেশি শব্দ সৃষ্টি হয়৷ যার অন্যতম কারণ চালকদের অকারণ হর্ণ বাজানো।
একটু পরপর হর্ন চাপা কি প্রয়োজনীয়? রাজধানীর গাড়িচালকদের এমন প্রশ্ন করা হলে তার উত্তর- ‘কখনো প্রয়োজনে, কখনো বা অপ্রয়োজনেই, কিংবা মনের অজান্তে।’
অতিরিক্ত হর্নের কারণে কি ক্ষতি হতে পারে এবং সেই ক্ষতির সবচেয়ে বড় শিকার কারা? এ বিষয়ে নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আফরোজা সুরাইয়া মজুমদার বলেন, ‘ছোট বাচ্চা, গর্ভবতী মা এবং বয়স্ক মানুষ এই তিন শ্রেণীর মানুষ শ্রবণ শক্তি হারিয়ে ফেলতে পারেন শব্দ দূষণের কারণে।’

অতিরিক্ত হর্ন দেয়া নিরুৎসাহিত করতে কাজ করছে একদল তরুণ। যাদেরকে মাঝে মাঝে বিভিন্ন সিগন্যালে দেখা যায় ব্যানার হাতে। সচেতনতাকর্মী নুর আহমেদ জানান, অযথা হর্ণ বাজানো যে ক্ষতির সঙ্গে বিরক্তিকরও এই বোধটা সাধারণ মানুষের মধ্যে আনার জন্যই এমন উদ্যোগ।

বিনা প্রয়োজনে হর্ন বাজানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন এমনটি মনে করেন আরেক সচেতনতাকর্মী মমিনুর রহমান রয়্যাল। সবাই এগিয়ে এলেই কেবল এমন অবস্থা থেকে মুক্তি মিলতে পারে বলে মনে করেন তিনি। শব্দ দূষণ আইনে প্রথমবার অপরাধের জন্য এক মাস কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং পরবর্তী অপরাধের জন্য ছয় মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দিণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে৷ কিন্তু বাস্তবে এই আইনের তেমন প্রয়োগ দেখা যায় না৷

এই বিভাগের আরো খবর