সোমবার   ২২ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৬ ১৪২৬   ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪০

amar24.com|আমার২৪
সর্বশেষ:
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ’ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ‘এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে’ ওয়ান ইলেভেনে আশরাফের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল : প্রধানমন্ত্রী
৬০৪

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির কোন সুযোগ নেই : মোস্তফ

ভয়াল ২৫ মার্চ স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জলন

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৯  

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের কোনো বিষয় নিয়ে জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির কোন সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

 

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামকে দলীয়ভাবে নিয়ে কৃতিত্ব নেওয়ার কিছু নেই। বরং সামগ্রিকভাবে যাতে দিনটি পালন করা যায়, সেজন্য জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হওয়া প্রয়োজন। 

 

তিনি বলেন, ২৫ মার্চ নিরস্ত্র মানুষের ওপর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ইতিহাসের যে বর্বর ও নৃশংসতম হত্যকান্ড চালিয়েছিল, তার মতো গণহত্যা আর একটিও নেই। এই হত্যকান্ডের ঘটনা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

 

সোমবার নয়াপল্টস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে "ভয়াল ২৫ মার্চ কালো দিবস ও গণহত্যা দিবস" উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্জলনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আমাদের জাতির গৌরবের অধ্যায়। আর এই গৌরবের অর্জন জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই রক্ষা করতে হবে। জাতির এই গৌরবকে দলীয়করণ বা বিতর্ক সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। 

 

তিনি ২৫ মার্চের এই কালো দিনে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় শহীদদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীরতম শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, ২৫ মার্চ রাতে যেভাবে নির্মম হত্যাকান্ড ঘটেছে, তা যেমন মানবতার চরম লঙ্ঘন তেমনি এর নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। এর ওপর ভিত্তি করেই আমাদের স্বাধীনতা এসেছিল। সেই রাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর পাকিস্তান যে বর্বরতম হামলা চালিয়েছিল এর মতো গর্হিত অপরাধ আর নেই। এটি নিয়ে আরো বিশ্লেষণ হওয়া উচিত। তবে এই দিবসটি পালনের আগে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি দরকার ছিল। তারপরও যেহেতু সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে সেটি যৌক্তিক। 

 

তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব থাকবে গণহত্যার বিরুদ্ধে নিন্দা জানানো হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নির্মানে জাতীয় ঐকমত্য খুবই জরুরী। এই গৌরবময় সংগ্রামে যার যতটুকু অবদান তাকে তার স্বীকৃতি প্রদান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সব কিছু কুক্ষিগত করার চেষ্টা জাতির জন্য কল্যাণকর হবে না।

 

ন্যাপ ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু'র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, লেবার পার্টি মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্ট সভাপতি মো. আবু আহাদ আল মামুন (দীপু মীর), ন্যাপ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল ভুইয়া, নগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদিকা সুমি আক্তার শিল্পী, যুব ন্যাপ সমন্বয়কারী বাহাদুর শামিম আহমেদ পিন্টু প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো খবর