সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯   পৌষ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

amar24.com|আমার২৪
সর্বশেষ:
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ’ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ‘এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে’ ওয়ান ইলেভেনে আশরাফের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল : প্রধানমন্ত্রী
৮৩৭

মাত্র এক হাজার টাকায় বিদেশ ভ্রমণ!

প্রকাশিত: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

প্রথমেই যারা কোটিপতি। ঢাকায় এক বসাতে কোটি টাকা ব্যয় করেন। কিংবা কোথাও ভ্রমণে গেলে আপনার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেন। তাদের জন্য এই পোস্ট নয়। এই পোস্ট তাদের জন্য যারা মনের মাঝে ঘুরাঘুরি শখ বাঁচিয়ে রেখেছেন । কিন্তু সময় ও টাকার সীমাবদ্ধতার জন্য বিদেশ ভ্রমণে যেতে পারছে না।
নিন্দুকেরা কি বলে তাতে মাথা না ঘামিয়ে আস্থা রাখুন, তাহলে আপনার হাজার টাকায় বিদেশ ভ্রমণ মন্দ হবে না। কারণ আমি বহুবার ঘুরে এসেছি। লোকে বলে আগারতলা নাকি চৌকির তলা। অর্থাৎ বাড়ির কাছে এই বিদেশকে অনেকেই বিদেশ ভাবতে রাজি নয়। যাই হোক বাড়ির কাছে এই বিদেশ নিয়ে আমাদের এক হাজার টাকায় বিদেশ ভ্রমণের গল্প শুরু।

প্রথম কাজ একটা ভারতীয় ভিসা প্রবেশ ও বাহির দিতে হবে ত্রিপুরা আগরতলা। ভিসা পাবার পর একদিন সোনালী ব্যাংকে ভ্রমণ কর ৫০০টাকা দিয়ে দিন। (যদিও আপনি চাইলেই সীমান্তে ভ্রমণ কর দিতে পারেন) এবার দিন তারিখ ঠিক করুন কবে যাবেন ত্রিপুরা। এই খরচগুলো এক হাজার টাকার বাইরে।


যদি দিন তারিখ ঠিক হয় তবে পকেটে ১০০০ টাকা নিয়ে এক সকালে রওনা হন বিদেশ ভ্রমণে গন্তব্য ত্রিপুরা। ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকালে ট্রেনে যাবেন আখাউড়া রেল স্টেশন। তারপর ৫জনের কিংবা ৪জনের টিম হলে সিএনজি আটোরিক্সা করে আখাউড়া আন্তর্জাতিক স্থল বন্দরে। কমলাপুর থেকে ট্রেনের ভাড়া ৮০টাকা থেকে শুরু করে ২০০টাকার মধ্যে হবে। অটোরিক্সা ভাড়া ১০০টাকা ৪জন ।

আপনি এখন ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে। তারপর দুই ইমিগ্রেশন পাড়ি দিয়ে যখন আপনি ত্রিপুরা মাটিতে পা রেখেছেন আপনার পকেটের টাকা ২৫০ শেষ হবার কথা নয়।
ত্রিপুরাতে ঘুরতে পারেন অনেক জায়গাতে। খাবার খুবই সস্তা। যতটুকু খাবেন ততটুকুর টাকা দিতে হবে। বটতলা কিংবা বটতলীতে একটা খাবার দোকান আছে আমরা সেখানে খেয়েছিলাম। সারাদিন ত্রিপুরাতে ঘুরে বিকেলেই চলে আসতে পারেন বাংলাদেশে। সন্ধ্যায় আখাউড়া থেকে অনেক রেলগাড়ি পাবেন ঢাকায় ফেরার। এক দিনে আপনার বিদেশ ভ্রমণ শেষ। এক হাজার টাকায় ভ্রমণ শেষ।
তবে ত্রিপুরা একদিনে দেখার মত স্থান নয়। খরচ আর সময় যদি একটু বাড়াতে পারেন। তবে ত্রিপুরায় ঘুরতে পারেন দিন দুয়েক।

ত্রিপুরা রাজ্যের সবুজের মায়াতে আপনি মুগ্ধ হবেন। ত্রিপুরার বিল,বন,নদী আর নিরবতা আপনার ভ্রমণে অন্যরকম স্বাদ জোগাবে। এখানে শহর ছেড়ে একটু হাটলেই পাবেন প্রশান্তির সবুজের আচঁল।
ত্রিপুরা রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ও দর্শনীয় সকল স্থাপনাগুলোর হুবহু নকল করে রাজ্যের রাজধানী আগরতলার মালঞ্চনিবাস এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে হেরিটেজ পার্ক। আগরতলা শহর থেকে মাত্র ১৫ মিনিটের পথ পাড়ি দিলেই দর্শনার্থীরা পৌঁছে যাবেন হেরিটেজ পার্কে। মাত্র ১০ রুপি দিয়ে প্রবেশ করেই উপভোগ করতে পারবেন ছায়া-সুনিবিড় আর সবুজে ঘেরা হেরিটেজ পার্কের অপরূপ সৌন্দর্য। আর সহজ অংক কষে ফেলুন কোথায় কোথায় যাবেন।

প্রথমদিন সারাদিন ত্রিপুরার বিভিন্ন স্থান ঘুরে বিকেলে রওনা হতে পারেন উদয়পুরের দিকে। ভাড়া ৫০রুপির কম হবে। রাতে উদয়পুর হোটেলে থাকুন । সব হোটেলই সাধারণ মানের ডাবল রুম ভাড়া ৩০০টাকা থেকে ৪০০টাকার মাঝে। সকালে ঘুম খেতে উঠেই রওনা হয়ে যান । উদয়পুর দেখবেন বলে। যদি ৪জনের দল হয়ে থাকেন তবে অটোরিক্সা ভাড়া নিন ৬০০ থেকে ৫০০ রুপির মাঝে আপনি রুদ্রারবিলের রাজপ্রসাদ, বোটানিক্যাল গান্ডেন, মেলাঘর (এখানে মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি জাড়িয়ে আছে)
দুপুরে পর পর ফেরার পথে রোজ গান্ডেন, সিপাহিজলা চিড়িয়াখানা ঘুরে আসতে পারেন।


তাছাড়াও ত্রিপুরাতে ঘুরতে পারেন :
গোমতী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
গোমতী অভয়ারণ্য এই রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তসীমায় অবস্থিত এবং এটি ত্রিপুরার বিশিষ্ট বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের মধ্যে একটি। এই অভয়ারণ্যটি ৩৮৯,৫৯ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বেষ্ঠিত এবং এর মধ্যে ৩০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে একটি অরণ্যময় জলাশয় রয়েছে। এই অভয়ারণ্যটি প্রাথমিকভাবে হাতি, হরিণ, সম্বর, বাইসন-এর জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ এবং পরিযায়ী বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন প্রজাতির আশ্রয়স্থল হিসাবেও এটি কাজ করে থাকে।

রৌয়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
ত্রিপুরার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত রোয়া অভয়ারণ্যটি হল এই রাজ্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত অঞ্চল। এই ছোট অভয়ারণ্যটি ৮৫,৮৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং প্রাকৃতিক অরন্য ও ঘন বনমধ্যস্থ মাঠ দ্বারা পরিবেষ্টিত। এই অভয়ারণ্যটির মধ্যে অসংখ্য প্রজাতির বন্য প্রাণী, স্তন্যপায়ী প্রানী, পাখি এবং ঘন গাছপালা রয়েছে যা উদ্ভিদবিজ্ঞানী, পক্ষীবিদ এবং কীটবিজ্ঞানীদের কাছে একটি আকর্ষনীয় গন্তব্যস্থল হিসাবে পরিচিত। এই রোয়া অভয়ারণ্যটি তার সমৃদ্ধ ঔষধি, পশুখাদ্য, অর্কিড এবং অন্যান্য উদ্যানজাত গাছপালার জন্য সুবিখ্যাত।

সিপাহিজলা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
সিপাহিজলা অভয়ারণ্যটি রাজ্যের রাজধানী আগরতলা শহর থেকে 35 কিমি দূরত্বে অবস্থিত। এই অভয়ারণ্যটি ১৮৫,৫৩ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং বন্যপ্রাণী, পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রানীদের আশ্রয়স্থল হিসাবে সুবিখ্যাত। জীব বৈচিত্র্যের মূর্তিস্বরূপ এই সিপাহিজলা অভয়ারণ্যটি আদর্শ পশ্চাদপসরণ এবং ত্রিপুরা রাজ্যের ইকো পর্যটনকে উৎসাহিত করে।

ত্রিপুরার সরকারী যাদুঘর
ত্রিপুরার সরকারী যাদুঘর হল একটি সংগ্রহস্থল যেখানে হস্তনির্মিত এবং প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে যা উত্তর-পূর্বের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে। বস্তুত, এই যাদুঘটি রাজ্যের সাংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে গন্য। ১৯৭০ সালের ২২ জুন এই যাদুঘর, উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রাজ্যস্তরের মিউজিয়ামে উপনীত হয়েছে।
ত্রিপুরার সরকারী যাদুঘর হলো একটি সংগ্রহস্থল যেখানে বিশুদ্ধ চারু ও কারুশিল্প জড়িত সৌন্দর্যের অমূল্য টুকরো সংগৃহীত রয়েছে। যাদুঘরটি রাজধানী আগরতলার, চোওমোহানি ডাকঘরের নিকটে অবস্থিত এবং চারটি গ্যালারীর সমন্বয়ে গঠিত;যথা :
প্রত্নতাত্ত্বিক গ্যালারী।
উপজাতীয় সংস্কৃতি গ্যালারী।

পেন্টিং গ্যালারী।
বিভিন্ন যুগের ভারতীয় ভাস্কর্য গ্যালারী।
গ্যালারীগুলিতে ১৬৪৫-এর বেশী বিস্ময়কর ঐতিহাসিক স্মারক রয়েছে। পণ্ডিত এবং ঐতিহাসিকদের দ্বারা প্রত্নতাত্ত্বিক খননকালে অনেক সোনা, রূপা ও তামার মুদ্রা পাওয়া গিয়েছে যা সেই সময়ের মুদ্রাসংক্রান্ত প্রাগৈতিহাসিক গুরুত্বকে প্রমানিত করে। অনেক মৃৎশিল্প টুকরো, ভাস্কর্য এবং পোড়ামাটি, ব্রোঞ্জ মূর্তি এবং আদিম তাম্র শিলালিপিও পাওয়া গিয়েছে। চমৎকার তৈল চিত্র, ছবি এবং অলঙ্করণ, বস্ত্র সেইসাথে অলঙ্কার এখানকার গ্যালারীগুলিকে উজ্বল করেছে।
এই মিউজিয়ামের সংরক্ষণাগারে রয়েছে কিছু মূল্যবান পান্ডুলিপি যেগুলি বাংলা কাহিনী ও সংস্কৃত মহাকাব্যের অংশ। এই মিউজিয়ামের মধ্যে একটি লাইব্রেরি রয়েছে যেখান থেকে ত্রিপুরার ইতিহাস, পুরাতত্ত্ব, স্থাপত্য ও নৃবিদ্যা সম্বন্ধে জানতে পারা যায়।


ত্রিপুরার মন্দির
ত্রিপুরার মন্দিরগুলি হল এই রাজ্যের পর্যটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ত্রিপুরার মন্দিরগুলি তাদের স্থাপত্য এবং ভাস্কর্য-এর জন্য সুপরিচিত এবং সারা বিশ্বের হাজার হাজার পর্যটকদের আকর্ষিত করে।

ভুবনেশ্বরী মন্দির
ভুবনেশ্বরী মন্দিরটি গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত যা ত্রিপুরার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। ১৬৬০-১৬৭৫ সালে মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য দ্বারা ত্রিপুরার ভুবনেশ্বরী মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটি তার নিদারুণ স্থাপত্যকর্মের জন্য সুপরিচিত। মন্দিরের ছাদ, কেন্দ্রস্থলের চূড়া এবং প্রবেশপথ চার চালা শৈলী বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। নোবেল জয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘রাজর্ষি’ এবং ‘বিসর্জন’ এর প্রেক্ষাপট হিসেবে এই মন্দিরটি ব্যবহৃত হয়েছিল।

ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির
হিন্দুদের ৫১ টি পীঠস্থানের একটি হল এই ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির। বাংলা-কুটির শৈলীতে নির্মিত ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরটি আগরতলা থেকে প্রায় 55 কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। মন্দিরগৃহে দুটি একরূপী দেবী রয়েছে, যারা ত্রিপুরা সুন্দরী এবং ছোটি মা নামে পরিচিত। এছাড়াও ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরটি ‘কূর্ম পিঠ’ নামে পরিচিত, যেহেতু মন্দির প্রাঙ্গণটি অবিকল ‘কূর্ম'(কচ্ছপ)-এর মতন।

কমলাসাগর কালী মন্দির
কমলাসাগর কালী মন্দিরটি কসবা কালী বাড়ি নামেও পরিচিত এবং এটি আগরতলা থেকে প্রায় 27 কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। ত্রিপুরার সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটনস্থানের একটি হল কমলাসাগর কালী মন্দির যা বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। মন্দিরগৃহে অবস্থিত দেবীর ভাবমূর্তিকে মহিষমর্দিনীর অনুরূপ হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে। কমলাসাগর কালী মন্দিরটি ১৭ শতাব্দীর পূর্বে গঠিত হয়েছিল এবং এটি কমলাসাগর নামক ক্ষুদ্র পাহাড়ের উপর অবস্থিত।

ত্রিপুরার নিকটবর্তী পর্যটন গন্তব্যস্থল
উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরায় কিছু উত্তেজনাপূর্ণ অনাবিষ্কৃত গন্তব্যস্থল রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি প্রত্যন্ত কোণে অবস্থিত ত্রিপুরা তার প্রাচীন ইতিহাস, ঘটনাস্থলের সামগ্রিক দৃশ্য এবং ঐশ্বর্যশালী প্রাসাদ এবং স্থাপত্যকীর্তির জন্য বিখ্যাত।

রাজধানী আগরতলা হল ত্রিপুরার সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্যস্থল। এই শহরটি দর্শনীয় স্থানে পরিপূর্ণ এবং ১৮৩৮ খ্রীস্টাব্দে মহারাজা কৃষ্ণ কিশোর মাণিক্য দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আগরতলায় জনপ্রিয় পর্যটক গন্তব্যস্থল যেগুলি দর্শনকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেইগুলি হল :
পুরাতন আগরতলা।
উজ্জায়ান্তা প্রাসাদ।
উমামহেশ্বর মন্দির।
জগন্নাথ মন্দির।
বেণুবন বিহার।
রবীন্দ্র কানন।
বুদ্ধ মন্দির।
১. খরচ করুন আর না করুন। পাসপোর্টে বাধ্যতামূলক ১৫০ ডলার এন্ডোর্স করে নিন।
২. ডলার যদি ভারতে অদল বদল করেন তবে রশিদ নিবেন।
৩. ত্রিপুরাতে সকল কিছুতে দামাদামী চলে। বাস ভাড়া থেকে হোটেল ভাড়া দামাদামী করুন।
৪. কমলাপুর থেকে সরাসরি এসি বাসে যেতে পারেন ত্রিপুরার আগরতলাতে।
৫. আসার পথে আপনি ত্রিপুরা থেকে কিছু জিনিস কিনে নিয়ে আসতে পারেন । যা আপনার ভ্রমণ ব্যয় শূণ্যের কোটায় নিয়ে আসবে।
শেষ তথ্য হল আগরতলায় কিন্তু ১০ রুপি থেকে হাজার রুপির থাকার ব্যবস্থা আছে। সুতরাং ১০০০টাকার বেশি পকেটে থাকলে একদিন বেশি থেকে আসুন আগরতলায়।তাহলে আগরতলা চৌকির তলার বাক্যে বন্দী না হয়ে ঘুরে আসুন । বাড়ির পাশে বিদেশ।
তথ্যসূত্র : ম্যাপস অফ ইন্ডিয়া, ত্রিপুরা টুরিজম বোর্ড, গুগল।
লেখক: সাঈদ সাইফুল আলম শোভন

এই বিভাগের আরো খবর