সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

amar24.com|আমার২৪
সর্বশেষ:
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ’ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ‘এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে’ ওয়ান ইলেভেনে আশরাফের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল : প্রধানমন্ত্রী
৩৪৪

পুরনো মশলা ব্যবহারের আকর্ষণীয় আট উপায়

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

গন্ধ হারিয়ে পুরনো হয়ে গেছে এমন মশলা যদি আপনার জমা হয়ে থাকে তবে আপনি হয়তো সেসব ফেলে দেওয়ার কথাই ভাবেন। কিন্তু, আপনি আসলে সেগুলো অনেক কাজে লাগাতে পারেন।

নিচে এ সম্পর্কে কয়েকটি উপায় তুলে ধরা হলো :

১। মশলা দ্রুত পুরনো হয় 
মশলা ও ঔষধি গুল্ম সহজেই এর পার্বিক অবস্থাগুলো পরিবর্তন করে। একবার একটি সংগ্রহ করার পর দ্রুত অন্য অবস্থায় রূপান্তরিত হয়। মসলা প্রস্তুত হওয়ার পর এক বছরের মধ্যেই এর প্রথম পর্যায়ের কার্যকারিতা হারায় এবং পরবর্তী তিন বছরের মধ্যেই একে অন্য কাজে লাগাতে হবে।

২। পুরনো মশলা ফেলে দেবেন না
তাপ পেলে পুরনো মসলারও স্বাদ ও গন্ধ বৃদ্ধি পায়, রূপান্তরিত হতে পারে অন্য পণ্যে।

৩। ফিরিয়ে আনা যায় পূর্বের অবস্থায়
যদি মশলা কিংবা ঔষধি গুল্মের বয়স এক বছর হয়ে যায় তবে ফেলে না দিয়ে তা ড্রাই প্যানে দিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। তবে ব্যবহারের ঠিক আগেই ড্রাই প্যানে দিতে হবে। রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাদ পেতে গেলে সেগুলো কড়কড়ে করে ফেলতে হবে।

৪। হতে পারে সারও
মসলা পুরনো হলেও এতে থাকে খনিজ, ভিটামিন এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন। এ জন্য প্রথমে সেগুলো একত্রে মিশিয়ে বায়ুরোধী বোতলে রাখতে হবে। এরপর সেখান থেকে এক চিমটি নিয়ে আপনার চারার গোড়ায় প্রয়োগ করুন। দেখবেন কেমন স্বাস্থ্যকরভাবে সেগুলো বৃদ্ধি পায়।

৫। প্রসাধনীতে 
যদি আপনি সিদ্ধান্ত নেন রান্নাঘরের বাইরে মশলা ব্যবহার করবেন, তবে প্রথমেই সম্ভাব্য এলার্জির বিষয়টি ভাবতে হবে। যদি এগুলো ত্বকের যত্নে কিংবা সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকে তবে আপনাকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নোট নিতে হবে:

শুরুতেই যে ঔষধি বা মসলাটি আপনি ব্যবহার করতে চান নিশ্চিত হতে হবে তা অ্যালার্জি কিংবা ক্ষতিকর হওয়ার কোনো কারণ রয়েছে কি-না। ভাববেন না তাপ দিলেই বিষয়টির সমাধান হয়ে যাবে। সেলারি বীজের মতো কিছু মশলায় তাপ দিলেও স্থিতিশীল থাকে। তাই যৌগটি আপনার ওপর কোনো প্রতিকূল প্রভাব রয়েছে কি-না তা পরীক্ষা করুন।

৬। দুর্গন্ধনাশক পদার্থ হিসেবে
নতুন বা পুরনো যে কোনো মশলাই বাজে গন্ধের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। আপনি যদি রান্নাঘরে কটুগন্ধের কিছু রান্না করেন, তবে সে কটু গন্ধ দূর করতে পানিতে কিছু পুরনো মশলা ফুটিয়ে নিয়ে পরে ওই পানি দিয়ে রান্নার সামগ্রী ধুয়ে বাজে গন্ধ দূর করতে পারেন।

৭। কাপড় কিংবা বইয়ের বাজে গন্ধ দূর করতে 
পোশাক এবং বইয়ের বাজে গন্ধ দূর করতে পুরনো মশলা ছোট টি-ব্যাগের মতো ব্যাগে ঢুকিয়ে তা ব্যবহার করা যায়। যেমন, দারুচিনির মতো মশলা মনকে উষ্ণতায় ভরে দেয়। একইভাবে, গ্রিষ্মে  জামাকাপড়ের জন্য শুকনো পুদিনা, ধনিয়া বা অন্যান্য মশলাগুলোর ব্যবহার আপনাকে শীতল আবেশ এনে দেবে। এগুলো কার্পেটেও চমৎকারভাবে কাজ করে। এক ভাগ মশালায় দুই ভাগ বেকিং সোডা মিশিয়ে তা গালিচায় ছড়িয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৮। ক্লিনারের ভেতর সুবাস হিসেবে
আপনি যদি ভিনেগারের গন্ধ অপছন্দ করেন, তবে বাড়িতে তৈরি ক্লিনারের সঙ্গে একটু মশলা মিশিয়ে দিতে পারেন। একইভাবে বাতিতেও তেলের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন কিছু মশলা। 

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

এই বিভাগের আরো খবর