সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

amar24.com|আমার২৪
সর্বশেষ:
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ’ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ‘এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে’ ওয়ান ইলেভেনে আশরাফের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল : প্রধানমন্ত্রী
১৮৫

আলোচনা হবে, নির্বাচনও যথাসময়ে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৮  

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশের পতাকা, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের যে চার হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ও সভ্যতা রয়েছে, তার প্রতি গণমাধ্যমগুলোর আনুগত্য থাকা উচিত। আর এই আনুগত্যকে ধারণ করে যেন প্রতিটি গণমাধ্যম তার কর্মকাণ্ড চালায়।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ঠিক আগ দিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

ইনু বলেছেন, ভারসাম্য রক্ষা ও নিরপেক্ষতার নামে মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজাকারদের যেন এক পাল্লায় মাপা না হয়, এটা গণমাধ্যমগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে। এটা কার্যত নৈতিকতাবিরোধী একটি ভূমিকা।

শেষ সময়ে এসে গণমাধ্যমের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী— এমন প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে, গণমাধ্যম কর্মীরা ১৬ কোটি মানুষের ১৬ কোটি সমস্যা ও স্বপ্নকে কীভাবে বাছাই করবে এবং জনগণের কাছে পরিবেশন করবে? সেই দক্ষতার উপর গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। সেদিক বিবেচনায় যে কোনো গণমাধ্যম যখন যাত্রা শুরু করে, তার মুক্তিযুদ্ধবান্ধব নীতি থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।’

ইউটিউবসহ সামাজিক গণমাধ্যমে সরকারবিরোধী প্রচারণা হচ্ছে, তা রোধে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সামাজিক গণমাধ্যমকে সাইবার অপরাধীরা মানুষের ক্ষতি করার জন্য কাজে লাগাচ্ছে। অনেকের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। এটা ভাল কাজ নয়। সামাজিক গণমাধ্যমে সাইবার অপরাধীদের যে উৎপাত, তা বন্ধ করার জন্য দুই রকমের পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ, আরেকটি হচ্ছে আইনগত পদক্ষেপ।’

জাসদ সভাপতি বলেন, ‘আমাদের সরকার সাইবার নিরাপত্তা আইন সম্প্রতি পাস করেছে। সেখানে এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আইনগতভাবে মোকাবেলা করতে হবে। সে ব্যক্তি হোক আর গোষ্ঠী। আর প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রযুক্তিবিদরা প্রযুক্তিগত সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবে।’

রাজনৈতিক সংলাপে সঙ্কট নিরসন কতটুকু হবে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক গণক নই। আশা-নিরাশার ধুলায় আমি গলি না। বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে এর মধ্যদিয়ে যেটা নিষ্পত্তিযোগ্য সেটা, নিষ্পত্তি হবে। আর যেটা নিষ্পত্তিযোগ্য নয়, সেটা হবে না। আলোচনার শেষ নেই, দফার পর দফা বৈঠক হবে। কিন্তু, যথাসময়েই ভোটও হবে।’

মন্ত্রীরা নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় যাবেন মন্ত্রী হিসেবে, তাতে কি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ব্যাহত হবে না— এমন প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, ‘নির্বাচনী আইনে পরিষ্কার লেখা আছে— নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারের মন্ত্রীরা সরকারি কোনো সুবিধা নেবেন না। তারা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকি সরকারি ফ্ল্যাগও ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ব্যাহত হবে বলে আমি মনে করি না।’

এই বিভাগের আরো খবর